দৈনিক মানবজমিন-এর ফটো সাংবাদিক নাসির প্রেসক্লাব থেকে মোটরসাইকেলে অফিসে ফিরছিলেন।
মৎস্য ভবনের সামনে এলে ট্রাফিক সার্জেন্ট মুস্তায়িন তার গতিরোধ করে। কাগজপত্র দেখে। মাথায় হেলমেট নেই কেন জানতে চান।
নাসির জানায় গরমের কারণে হেলমেট পরিনি। এ অবস্থায় মুস্তাস্তায়িন মামলা করার উদ্যোগ নিলে নাসির অনুরুধ করে মামলা না করার।
নাসির বলে, ভাই আমি সাংবাদিক। সঙ্গে সঙ্গে মোস্তায়িন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। সার্জেন্ট বলে, আমি ছাত্রলীগ করতাম। আমি এরকম অনেক সাংবাদিক দেখেছি।
তুই হলূদ সাংবাদিক। সার্জেন্ট মুস্তায়িন নাসিরের উপর ঝাপিয়ে পড়ে। জামার কলারে ধরে টেনে হেচড়ে সড়কের এ পাশ থেকে ও পাশে নিয়ে যায়।
এ সময় থাপ্পড় দেয়।
উপায়ন্তর না দেখে নাসির প্রেসক্লাবে অপর সাংবাদিকদের মোবাইল ফোনে ঘটনাটি জানান।
খবর পেয়ে সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। নাসিরকে নির্যাতনের কারন জানতে চান।
মুস্তায়িন অপর সাংবাদিকদের সঙ্গেও উদ্যত আচরণ করেন।
খবর পেয়ে ছুটে আসেন ট্রাফিক বিভাগের এসি একে হারুন।
তিনি সব শোনেন ডিসি ট্রাফিকের সঙ্গে কথা বলেন।
পরে মুস্তায়িনকে ক্লোজড করে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়।
এসি একে হারুন বলেন, তাকে আপাতত এই শাস্তি দেয়া হলো। সাংবাদিকদের কাছে এ ঘটনার জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
সূত্র :bdpnews24
